বৃহস্পতিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০১২

চিলমারীতে রোপা আমন বীজতলার সংকট

চিলমারী সংবাদঃ 
পরপর দু'দফা বন্যায় আমন বীজতলার ব্যাপক ক্ষতি হওয়ায় কুড়িগ্রামের চিলমারীতে আমন বীজতলার সংকট দেখা দিয়েছে। অপরদিকে বৃষ্টির অভাবে পুড়ে যাচ্ছে জমিতে রোপণকৃত আমন বীজ।
চিলমারী কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এবারের বন্যায় উপজেলায় ৯৩৮ হেক্টর জমির পাট, ২০০ হেক্টর জমির আমন বীজতলা, ৩৩ হেক্টর জমির শাক-সবজি এবং কাউন, চিনা, তিল ও তিসি মিলে মোট ২৭৩ হেক্টর জমির আবাদি ফসল সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে। এই ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৬ কোটি ৩৮ লাখ ১৬ হাজার টাকা। এরমধ্যে শুধু আমন বীজতলার ক্ষতি হয়েছে ১ কোটি টাকা সমমূল্যের। উপজেলার চরাঞ্চলীয় অষ্টমীরচর ইউনিয়নে ৭০ হেক্টর নয়ারহাট ইউনিয়নে ৩০ হেক্টর এবং চিলমারী ইউনিয়নে ৩২ হেক্টর জমির আমন বীজতলা নষ্ট হয়ে যায়। এই ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে এলাকার কৃষকরা পরে বাড়ির উঠান ও পতিত জমিতে ফের আমন বীজতলা তৈরি করলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।
এ ব্যাপারে অষ্টমীরচর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন জানান, বন্যায় বীজতলার যে ক্ষতি হয়েছে, তা পূরণ হওয়ার মতো প্রয়োজনীয় বীজতলা নেই। এদিকে যেসব জমিতে ইতিমধ্যে আমন বীজ রোপণ করা হয়েছে, সেসব জমি অনাবৃষ্টির কারণে ক্ষতির মুখে পড়েছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষকরা শ্যালো মেশিন দিয়ে জমিতে পানি দিতে বাধ্য হচ্ছে। ফলে আমন আবাদের শুরুতেই ধান চাষের ব্যয় বেড়ে গেছে।
 

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন