শনিবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১২

চিলমারীতে আমন বীজতলার সংকট ॥ বৃষ্টির অভাবে খরায় পুড়ে যাচ্ছে জমিতে রোপনকৃত আমন বীজ

চিলমারী সংবাদঃ 
পরপর দু‘দফা বন্যায় আমন বীজতলার ব্যাপক তি সাধিত হওয়ায় চিলমারীতে আমন বীজতলার সংকট দেখা দিয়েছে। অপরদিকে বৃষ্টির অভাবে খরায় পুড়ে যাচ্ছে জমিতে রোপনকৃত আমন বীজ।
চিলমারী উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী এবারের বন্যায় গোটা উপজেলায় ৯‘শ ৩৮ হেক্টর জমির পাট, ২‘শ হেক্টর জমির আমন বীজতলা, ৩৩ হেক্টর জমির শাক সবজি এবং কাউন, চিনা, তিল ও তিশি মিলে ২‘শ ৭৩ হেক্টর জমির ফসল সম্পূর্ণরূপে নষ্ট হয়ে গেছে। টাকার অংকে এই য়তির পরিমাণ প্রায় ৬ কোটি ৩৮ ল ১৬ হাজার টাকা। এর মধ্যে শুধুমাত্র আমন বীজতলার তি হয়েছে প্রায় ১ কোটি টাকা সমমূল্যের। অষ্টমীরচর ইউনিয়নে ৭০ হেক্টর জমির আমন বীজতলা, নয়ারহাট ইউনিয়নে ৩০ হেক্টর এবং চিলমারী ইউনিয়নে ৩২ হেক্টর জমির আমন বীজতলা নষ্ট হয়ে গেছে। এই য়তি পুষিয়ে উঠার ল্েয উক্ত এলাকার কৃষকরা পরবর্তিতে বাড়ীর উঠান ও পতিত জমিতে পুরায় আমন বীজ বপন করলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। অষ্টমীরচর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ সোহরাব হোসেন জানান, বন্যায় বীজতলার যে তি হয়েছে, তা পূরণ হওয়ার মত পর্যাপ্ত বীজতলা নেই। কৃষকরা অর্থের অভাবে দূর-দূরান্ত থেকে বীজ সংগ্রহ করতে পারছে না। এদিকে যে সকল জমিতে ইতোমধ্যে আমন বীজ রোপন করা হয়েছে, সে সকল জমি অনাবৃষ্টির কারণে তির মুখে পড়েছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কৃষকরা স্যালো দিয়ে জমিতে পানির যোগান দিতে বাধ্য হচ্ছে। ফলে আমন আবাদের শুরুতেই ধান চাষের ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে। উপজেলা কৃষি অফিসে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রতি বছর বন্যাত্তোর য়তি পুষিয়ে নেওয়ার জন্য সরকারীভাবে আমন বীজ কৃষকদের মাঝে দেওয়া হলেও এ বছর এখন পর্যন্ত এ ধরণের কোন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন